1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রমজানে রোজার বিধানে যাদের জন্য বিশেষ ছাড় - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

রমজানে রোজার বিধানে যাদের জন্য বিশেষ ছাড়

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩৭ বার পঠিত
রোজার বিধান

আসন্ন রমজান মাসকে ঘিরে মুসলিমদের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই মাসে প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমানের ওপর রোজা ফরজ। তবে বিশেষ কিছু অবস্থায় নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য শরিয়তে শিথিলতা রাখা হয়েছে। সফরের কষ্ট কিংবা শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এ সুযোগ পান। অবশ্য সবার ক্ষেত্রে বিধান এক নয়—কেউ পরে কাজা আদায় করবেন, কেউ ফিদিয়া দেবেন, আবার কারও ক্ষেত্রে কাজাও আবশ্যক হয় না। নিচে বিষয়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

মুসাফিরের রোজা

সফরে থাকা ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা বাধ্যতামূলক নয়। চাইলে তিনি সফরকালে রোজা না রেখে পরবর্তীতে কাজা করতে পারেন। তবে অতিরিক্ত কষ্ট না হলে সফর অবস্থায় রোজা রাখাই উত্তম।

আসেম (রহ.) বর্ণনা করেন, হজরত আনাস (রা.)-কে সফরের সময় রোজার বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে; তবে রাখা উত্তম। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস : ৯০৬৭)

যদিও সফরে রোজা না রাখার সুযোগ আছে, তবুও কেউ রোজা শুরু করলে বিনা ওজরে তা ভাঙা বৈধ নয়। সফরে রোজা রেখে অকারণে ভেঙে ফেললে গোনাহ হবে; তবে কাফফারা নয়, শুধু কাজা আদায় করতে হবে। (রদ্দুল মুহতার : ২/৪৩১)

সফরের কারণে রোজা ছাড়ের বিধান তখনই প্রযোজ্য, যখন সুবহে সাদিকের সময় ব্যক্তি মুসাফির থাকেন। যদি সে সময় তিনি নিজ এলাকায় মুকিম থাকেন, তাহলে পরে সফরের নিয়ত থাকলেও রোজা না রাখার অনুমতি নেই। একইভাবে, মুকিম অবস্থায় রোজা রেখে সুবহে সাদিকের পর সফরে বের হলে শরয়ি ওজর ছাড়া রোজা ভাঙা জায়েজ নয়।

কোনো মুসাফির রোজা না রেখে দিন শেষে মুকিম হয়ে গেলে, দিনের অবশিষ্ট সময় রমজানের সম্মান রক্ষার্থে পানাহার থেকে বিরত থাকবে এবং পরে কাজা আদায় করবে।

হাসান বসরি (রহ.) বলেন, যে ব্যক্তি সফরে থেকে রমজানের দিনে পানাহার করেছে, পরে মুকিম হলে দিনের বাকি অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : হাদিস ৯৪৩৬, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ৩/৪২৮)

হায়েজ ও নেফাসগ্রস্ত নারীর রোজা

রমজানে হায়েজ বা নেফাস অবস্থায় নারীরা রোজা রাখবেন না। পরবর্তীতে ওই দিনগুলোর কাজা আদায় করতে হবে।

রমজানের দিনে হায়েজ-নেফাস থেকে পবিত্র হলে দিনের অবশিষ্ট অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকা জরুরি এবং পরে ওই দিনের রোজারও কাজা করতে হবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৬/২২১, হাদিস ৯৪৩২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ৩/৪২৮)

অসুস্থ ব্যক্তির রোজা

রোজা রাখলে যদি অসুস্থতা বৃদ্ধি পায় বা সুস্থ হতে বিলম্ব হয়—এমন আশঙ্কা প্রবল হলে রোজা না রাখার অনুমতি আছে। সুস্থ হওয়ার পর কাজা করতে হবে। তবে সামান্য অসুস্থতার অজুহাতে রোজা ছেড়ে দেওয়া বৈধ নয়। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নেওয়া উত্তম। (আলমুহিতুল বুরহানি : ৩/৩৫৯; আদ্দুররুল মুখতার : ২/৪২২)

গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীর রোজা

গর্ভবতী নারী রোজা রাখলে নিজের বা সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। একইভাবে স্তন্যদানকারী মা রোজা রাখলে শিশুর কষ্টের আশঙ্কা হলে রোজা ছাড়তে পারবেন। পরে কাজা আদায় করতে হবে। (আলমুহিতুল বুরহানি : ৩/৩৫৯)

হাদিসে এসেছে—

إِن اللهَ وَضَعَ عَنِ الْمُسَافِرِ الصَّوْمَ وَشَطْرَ الصَّلَاةِ وَعَنِ الْحَامِلِ وَالْمُرْضِعِ الصَّوْمَ.

আল্লাহ তাআলা মুসাফিরের জন্য রোজার বিধান শিথিল করেছেন এবং নামাজ কমিয়েছেন; গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারীর জন্যও রোজা শিথিল করেছেন। (জামে তিরমিজি, হাদিস ৭১৫; রদ্দুল মুহতার ২/৪২২)

দুর্বল বৃদ্ধের রোজা

বার্ধক্য বা এমন রোগের কারণে যিনি রোজা রাখতে অক্ষম এবং ভবিষ্যতে কাজা করার সামর্থ্যও নেই, তার জন্য রোজা আবশ্যক নয়। তিনি প্রতিদিনের বদলে ফিদিয়া প্রদান করবেন।

নাবালেগ শিশুদের রোজা

নাবালেগ শিশুদের ওপর রোজা ফরজ নয়। তবে তারা সক্ষম হলে অভ্যাস গড়ার জন্য রোজায় উৎসাহিত করা উচিত। বালেগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে ছেলে-মেয়েদের রোজার অনুশীলনে অভ্যস্ত করা দরকার।

সাহাবায়ে কেরাম (রা.) তাঁদের সন্তানদের রোজায় উদ্বুদ্ধ করতেন। রুবায়্যি’ বিনতে মুআওয়াজ (রা.) বলেন, আমরা আশুরার রোজা রাখতাম এবং শিশুদেরও রাখাতাম। তারা ক্ষুধায় কাঁদলে পশমের খেলনা দিয়ে ব্যস্ত রাখতাম, এভাবে ইফতার পর্যন্ত সময় পার হতো। (সহিহ রোখারি, হাদিস ১৯৬০)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..